জাতীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

সাবেক ডেপুটি স্পীকার, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, জাতীয় বীর কর্ণেল (অব.) শওকত আলীর তৃতীয় প্রয়ান বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ (মুসপ), ঢাকা মহানগর-এর উদ্যোগে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, জাতির পিতার ও জাতীয় চার নেতার মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের হৃত মূল্যবোধ ও চেতনা পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে জাতীয় বীর কর্ণেল (অব.) শওকত আলী মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ গঠনের মাধ্যমে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছিলেন।

বিশেষ অতিথি বেগম রোকেয়া পদকে ভূষিত কর্ণেল (অব.) শওকত আলীর সহধর্মিনী মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাজেদা শওকত আলী তাঁর প্রয়াত স্বামী শওকত আলী আগরতলা মামলায় গ্রেফতারের পর স্বাসরুদ্ধকর দিনগুলোর কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুর দৃঢ়তার কথা স্মরণ করে তাঁর সাথে আগরতলা মামলার ঘটনাবলীকে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন।

সংগঠনের ঢাকা মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও আলোচনা করেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হাসান-উজ-জামান, যুগ্ম মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, ডা. খালেদ শওকত আলী (আওয়ামী যুব লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য), সাংগঠনিক সচিব মাহমুদুর রহমান খোকন, এনামুল হক আবুল, সমবায় সচিব আবু সাঈদ তালুকদার, সাংস্কৃতিক সচিব মোঃ মোহসিন, সাংবাদিক মানিক লাল, ঢাকা মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন নন্দী প্রমুখ। শওকত আলীর স্মৃতি রোমন্থন কালে আলোচকগণ আগরতলা মামলার ঘটনাবলীকে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশ উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করে এই মামলায় অভিযুক্ত মৃত বা জীবীত সবাইকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদানের জন্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।