জুন ১৩, ২০২৪

আমাদের সম্পর্কে আরো জানুনঃ

পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত। প্রতিবেশি দেশটির পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে একটা সময় পৌঁছায় ৩০০ টাকায়।
অবশেষে গতকাল বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির খাদ্যমন্ত্রী রাম বিলাস পাসওয়ান এক টুইট বার্তায় পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেন।
টুইটে তিনি বলেন, যেহেতু পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে এবং এ বছর প্রচুর উৎপাদিত রয়েছে, তাই সরকার পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্চ মাসের প্রত্যাশিত উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৪০ লাখ মেট্রিক টন। যা গত বছর একই সময় ছিল ২৮.৪ লাখ মেট্রিক টন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মন্ত্রীদের একটি গ্রুপের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী ছাড়াও দেশটির কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাজীব গৌবা উপস্থিত ছিলেন।
বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতর (ডিজিএফটি) থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারির পর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্য নির্ধারণ নিয়েও মন্ত্রীদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আগামী এপ্রিলে দেশটিতে ৮৬ লাখ টন পেঁয়াজের উৎপাদন করা হচ্ছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬১ লাখ টন।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে বন্যায় ভারতের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় পেঁয়াজ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেয়। সে সময় পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে দেশটি। ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণার পর বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়ে। প্রতিবেশী দেশটি থেকে বাংলাদেশও বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করে থাকে। এর প্রভাবে দফায় দফায় বাড়ে থাকে পেঁয়াজের দাম।
এক পর্যায়ে বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ দ্রব্যটির দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যায়। দাম ওঠে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। পেঁয়াজের বাজার সামাল দিতে বাধ্য বাংলাদেশকে ভারতের বাইরেও চীন, মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। #

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Reddit