ময়মনসিংহ-৩ আসনে নৌকার জয়

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি ৫৪ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

১ হাজার ৯২৫ ভোট বেশি পেয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।

শনিবার ভালুকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ভোটগ্রহণ করেন প্রিসাইডিং অফিসার আনন্দ মোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ মোশারফ হোসেন। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৩২ জন। এরমধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১ হাজার ৬৭৭ জন। এ কেন্দ্রে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ১ হাজার ২৯৫ ভোট ও ট্রাক প্রতীক পেয়েছে ৩৫৫। ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজনীন আলম এক ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ দুই ভোট, সোনালী আঁশ প্রতীকের মো. জামাল উদ্দিন এক ভোট, ফুলকপি প্রতীকের মোর্শেদুজ্জামান সেলিম দুই ভোট, আম প্রতীকের মো. শফিউল ইসলাম এক ভোট, কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শরীফ হাসান অনু চার ভোট ও কাঁচি প্রতীকের রমিজ উদ্দিন স্বপন শূন্য ভোট পেয়েছেন।

জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মেদ ভূঞার নেতৃত্বে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে র্যাব, বিজিবি, আর্মড পুলিশ, পুলিশ, গ্রামপুলিশ ও আনসার-ভিডিপি মোতায়েন ছিল। কেন্দ্র ও তার চারপাশ নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয় প্রশাসন।

গত ৭ জানুয়ারি (রোববার) এ উপজেলার ৯২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯১টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ইউএনও মোহাম্মদ নাহিদুল করিম ঘোষিত ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী পপি পান ৫৩ হাজার ১৯৬ ভোট। ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা পান ৫২ হাজার ২১১ ভোট।

জানা গেছে, ৪০ নং ভালুকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে রোববার বিকালে ভোট চলাকালীন দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।  হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করে ব্যালট পেপার, আটটি ব্যালট বাক্স ও আনসারদের লাঠি নিয়ে যায়।  এ ঘটনায় কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়।